এইবেলা ডেস্ক : হিন্দু পুরাণ গ্রন্থগুলির মধ্যে সবথেকে রোমাঞ্চকর কথাবার্তা সম্ভবত রয়েছে ‘গরুড় পুরাণ’-এ। বিশেষ করে মৃত্যু-সংক্রান্ত এক বিশাল এবং একই সঙ্গে বিচিত্র সন্দর্ভ সেই গ্রন্থে ধৃত রয়েছে।
কিন্তু একই সঙ্গে কেউ যদি ‘শিব পুরাণ’ পাঠ করেন তো দেখতে পাবেন, সেই মহাগ্রন্থেও চমৎকারের কিছু কমতি নেই।

এই পুরাণের বহু স্থানে পুরাণকাররা স্বয়ং দেবাদিদেবের মুখে বসিয়েছেন এমন সব কথা, যা হাজার হাজার বছরের পর্যবেক্ষণ আর ধ্যানের ফলেই জাত। ‘শিব পুরাণ’ থেকেও মৃ্ত্যুর প্রাগভাষ সম্পর্কিত এক বক্তব্য পাওয়া যায়, যার মূল কথা মৃত্যু নামক প্রহেলিকাটি সম্পর্কে আগে থেকে অবহিত হওয়া এবং অবশ্যই মৃত্যুভয় জয় করা।

দেখা যাক মৃত্যু সম্পর্কে ‘শিব পুরাণ’-এর বক্তব্য—

• মৃত্যুর সবথেকে বড় প্রাকলক্ষণ টের পাওয়া যাবে দেহের ভিতরেই। পুরাণ-মতে, কোনও ব্যক্তের দেহে যদি হলদেটে ভাব দেখা যায় এবং তাতে রক্তবর্ণের আভা থাকে, তবে বুঝতে হবে তাঁর মৃত্যু সন্নিকটে।
• যদি কোনও ব্যক্তি জলে অথবা দর্পণে তাঁর ছায়া দেখতে না পান, তিনিও জানবেন তাঁর মৃত্যুর বেশি দেরি নেই।
• যদি কেউ নিজের ছায়া দেখতে না পান, তিনি জানবেন তাঁর ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলছে মৃত্যু। কেউ যদি মুণ্ডহীন ছায়া দেখেন, সেক্ষেত্রেও বিষয়টি এক।
• মৃত্যুর আগে সবকিছুই কৃষ্ণবর্ণ হয়ে যাবে। মৃত্যুপথযাত্রীর মুখ, জিভ, কান, চোখ, নাক পাথরের মতো হয়ে যাবে।
• যদি কোনও ব্যক্তি চন্দ্রালোক, আগুন অথবা সূর্য দেখতে না পান, তিনি জানবেন তাঁর আয়ু ৬ মাস।
• কোনও ব্যক্তি যদি আকাশে ধ্রুব তারা দেখেতে না পান, তিনি জানবেন তাঁর আয়ুও অস্তাচলে।
• আকাশ, চন্দ্র, সূর্য যদি কেউ লাল বর্ণে দেখেন, তিনিও জানবেন মৃত্যু তাঁর শিয়রে কড়া নাড়ছে।

আপনার সোনামনির জন্য নাম খুজে পেতে সহয়তা করতে আমরা আছি আপনার পাশে। এখানে আমরা বিভিন্ন ক্যাটাহরীতে কয়েক হাজার নাম ও তার অর্থসহ সংগ্রহ করেছি। ভবিষ্যতে ভিজিটরদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে নিত্যনতুন কিছু ফিচার যুক্ত করা হবে। এছাড়া প্রতিটি নামের শুদ্ধ বাংলা ও ইংরেজি বানান সংযুক্ত করার কাজ চলছে। প্রতিটি নামের অর্থ, তাৎপর্য, ইতিহাস, বিক্ষাত ব্যক্তিত্ব, সোসাল মিডিয়ায় জনপ্রিয় ইত্যাদি বিষয় ধারাবাহিক ভাবে যুক্ত করা হবে। মনে রাখবের ‘একটি সুন্দর নাম আপনার সন্তানের সারা জিবনের পরিচয়!!!’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *